Dhaka 4:00 pm, Thursday, 23 April 2026

গোয়াইনঘাটে প্রভাবশালী চক্রের আঘাতে প্রাণ গেল এক কৃষক ও নবজাতকের

গোয়াইনঘাট থানাধীন ০২নং পশ্চিম জাফলং ইউনিয়নের অন্তর্গত জয়নগর গ্রামে প্রভাবশালী চক্রের হামলায় প্রাণ গেল মৃত নিছার আলীর পুত্র আব্দুল লতিব (৬০)নামে এক ব্যক্তির। গত ১৫ ডিসেম্বর বিকাল ৫ ঘটিকার সময় বসতবাড়ির উত্তর দিকে বাদীর পুকুরের পশ্চিম পাড়ে গাছ গাছালির বাগানে গরু দিয়ে সবজি খাওয়ানোকে কেন্দ্র করে উক্ত ঘটনা ঘটে। মামলার এজহার সুত্রমতে, নিম্ন বর্ণিত আসামীদের হাতে থাকা ধারালো দায়ের কাঠের বাট, দা, স্টিলের পাইপ, লোহার রড, চাউরা গাছের রুল দিয়া এলোপাতাড়িভাবে আক্রমন ও মারধরের ফলে আব্দুল লতিবের মাথায় আঘাত করা হয়। চার পাঁচ জন গুরুতর আহত ও আব্দুল লতিবের মাথা সহ বিভিন্ন স্থানে জখম হয়।

এ ঘটনা ঘটলে চিকিৎসার জন্য সিলেট ওসমানী মেডিকেলে ভর্তি করালে ডাক্তার উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজে প্রেরন করলে সেখানে তাহার মস্তিষ্কের অপারেশন সম্পন্ন হলে চিকিৎসা শেষে বাড়িতে ফিরলে গতকাল ৩০ ডিসেম্বর রাত ৭:০০ ঘঠিকার সময় শেষ নি:শ্বাস ত্যাগ করেন। ইন্নালিল্লাহিওয়িন্নাইলাইহিরাজিঊন। এ
ঘটনায় গোয়াইনঘাট থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। যার নং ২৩/৩৩৯।

এজহার নামীয় আসামীরা হলেন(১) আরিফ উদ্দিন (৩৩), ২। মুজিবুর রহমান (২৭), ৩। আতাউর রহমান (২৯), ৪। সোহানুর সায়রা বেগম (৫৫), স্বামী- মৃত এখলাছুর রহমান আলিমা বেগম (২৪), ৫। আরিনা বেগম (২২), ৬। আজিমা বেগম (২১), সর্ব পিতা- মৃত এখলাছুর রহমান,ডাকঘর- মাতুরতল বাজার, থানা- গোয়াইনঘাট, সিলেট।

এছাড়াও উক্ত ঘটনায় গুরুতর আহত গর্ভবতী শারমীন বেগম এর শিশু মৃত অবস্থায় ডেলিভারী হয়। তাছাড়া গুরুতর আহত , শাহীন আহমদ, সাদ্দাম হোসেন , সমিরুন নেছা, হালিমা বেগম গণ সিলেট এম.এ.জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হইয়া চিকিৎসা গ্রহণ করিতেছেন।

জানতে চাইলে গোয়াইনঘাট থানার অফিসার ইনচার্জ সরকার তোফায়েল জানান ঘটনায় গোয়াইনঘাট থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। শিশু বাচ্চার মৃত্যুর পর ময়না তদন্ত করা হয়েছে এবং বর্তমানে নিহত আব্দুল লতিব এর ময়না তদন্তের জন্য সিলেট ওসমানী মেডিকেলে পাঠানো হচ্ছে। ময়না তদন্তের রিপোর্ট প্রমানিত হলে ডাবল মার্ডার হতে পারে বলে জানান তিনি।

এ ঘটনায় এলাকা জুড়ে জনসাধারণের মাঝে শোকের ছায়া নেমে এসেছে, সর্বস্তরের মানুষের মাঝে শোকাবহ বাতাস বইছে। এর সঠিক বিচার চেয়েছেন এলাকাবাসী।

হত্যাকাণ্ডের মুল আসামীদের গ্রেফতার ও ফাঁসির দাবি জানান আব্দুল লতিব এর স্ত্রী হালিমা বেগম।

রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত মরদেহ কে সিলেট ওসমানী মেডিকেলে ময়না তদন্তে পাঠানোর কাজ চলছে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

সর্বাধিক পঠিত

গোয়াইনঘাটে প্রভাবশালী চক্রের আঘাতে প্রাণ গেল এক কৃষক ও নবজাতকের

Update Time : 11:47:52 pm, Tuesday, 31 December 2024

গোয়াইনঘাট থানাধীন ০২নং পশ্চিম জাফলং ইউনিয়নের অন্তর্গত জয়নগর গ্রামে প্রভাবশালী চক্রের হামলায় প্রাণ গেল মৃত নিছার আলীর পুত্র আব্দুল লতিব (৬০)নামে এক ব্যক্তির। গত ১৫ ডিসেম্বর বিকাল ৫ ঘটিকার সময় বসতবাড়ির উত্তর দিকে বাদীর পুকুরের পশ্চিম পাড়ে গাছ গাছালির বাগানে গরু দিয়ে সবজি খাওয়ানোকে কেন্দ্র করে উক্ত ঘটনা ঘটে। মামলার এজহার সুত্রমতে, নিম্ন বর্ণিত আসামীদের হাতে থাকা ধারালো দায়ের কাঠের বাট, দা, স্টিলের পাইপ, লোহার রড, চাউরা গাছের রুল দিয়া এলোপাতাড়িভাবে আক্রমন ও মারধরের ফলে আব্দুল লতিবের মাথায় আঘাত করা হয়। চার পাঁচ জন গুরুতর আহত ও আব্দুল লতিবের মাথা সহ বিভিন্ন স্থানে জখম হয়।

এ ঘটনা ঘটলে চিকিৎসার জন্য সিলেট ওসমানী মেডিকেলে ভর্তি করালে ডাক্তার উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজে প্রেরন করলে সেখানে তাহার মস্তিষ্কের অপারেশন সম্পন্ন হলে চিকিৎসা শেষে বাড়িতে ফিরলে গতকাল ৩০ ডিসেম্বর রাত ৭:০০ ঘঠিকার সময় শেষ নি:শ্বাস ত্যাগ করেন। ইন্নালিল্লাহিওয়িন্নাইলাইহিরাজিঊন। এ
ঘটনায় গোয়াইনঘাট থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। যার নং ২৩/৩৩৯।

এজহার নামীয় আসামীরা হলেন(১) আরিফ উদ্দিন (৩৩), ২। মুজিবুর রহমান (২৭), ৩। আতাউর রহমান (২৯), ৪। সোহানুর সায়রা বেগম (৫৫), স্বামী- মৃত এখলাছুর রহমান আলিমা বেগম (২৪), ৫। আরিনা বেগম (২২), ৬। আজিমা বেগম (২১), সর্ব পিতা- মৃত এখলাছুর রহমান,ডাকঘর- মাতুরতল বাজার, থানা- গোয়াইনঘাট, সিলেট।

এছাড়াও উক্ত ঘটনায় গুরুতর আহত গর্ভবতী শারমীন বেগম এর শিশু মৃত অবস্থায় ডেলিভারী হয়। তাছাড়া গুরুতর আহত , শাহীন আহমদ, সাদ্দাম হোসেন , সমিরুন নেছা, হালিমা বেগম গণ সিলেট এম.এ.জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হইয়া চিকিৎসা গ্রহণ করিতেছেন।

জানতে চাইলে গোয়াইনঘাট থানার অফিসার ইনচার্জ সরকার তোফায়েল জানান ঘটনায় গোয়াইনঘাট থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। শিশু বাচ্চার মৃত্যুর পর ময়না তদন্ত করা হয়েছে এবং বর্তমানে নিহত আব্দুল লতিব এর ময়না তদন্তের জন্য সিলেট ওসমানী মেডিকেলে পাঠানো হচ্ছে। ময়না তদন্তের রিপোর্ট প্রমানিত হলে ডাবল মার্ডার হতে পারে বলে জানান তিনি।

এ ঘটনায় এলাকা জুড়ে জনসাধারণের মাঝে শোকের ছায়া নেমে এসেছে, সর্বস্তরের মানুষের মাঝে শোকাবহ বাতাস বইছে। এর সঠিক বিচার চেয়েছেন এলাকাবাসী।

হত্যাকাণ্ডের মুল আসামীদের গ্রেফতার ও ফাঁসির দাবি জানান আব্দুল লতিব এর স্ত্রী হালিমা বেগম।

রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত মরদেহ কে সিলেট ওসমানী মেডিকেলে ময়না তদন্তে পাঠানোর কাজ চলছে।