Dhaka 7:21 pm, Thursday, 23 April 2026

অগ্নি*কাণ্ডে পুড়েযাওয়া পরিবারটি মাথা গোঁজার আশ্রয় চায়:

মতিউর রহমান (দুলাল) গোয়াইনঘাট:
সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলার ফুলতৈলছগাম গ্রামে মর্মান্তিক ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় কছির মিয়ার বসত ঘর পুড়ে ছাই হয়েছে। গবাদি পশু ছাগল হাঁস মুরগি এমনকি ঘরের আসবাবপত্র সহ বাকি নেই কোন কিছু। বসত ঘরের লোকজন আত্মীয়ের বাড়িতে থাকায় দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা পায় তারা।
বর্তমানে অসহায় পরিবারের ৬ সদস্য পাশের ঘরে আশ্রয়ে আছেন।গত মঙ্গলবার রাত আনুমানিক সাড়ে নয়টায় ভয়াবহ এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনাটি ঘটে।তবে কোন জায়গা থেকে আগুনের সূত্রপাত এখনো রহস্য উদঘাটন করা যায়নি।
গ্রামের কারো সাথে তাদের কোন ধরনের শত্রুতা নেই বলে জানায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের লোকজন। এতে সর্বহারা পরিবারটি মাথা গুজার জন্য সমাজের বিত্তবানদের সহযোগিতা চায়।
শুক্রবার ১১ এপ্রিল বাদ জুম্মা পুড়ে যাওয়া কছির মিয়ার বসত ঘর সরেজমিন পরিদর্শন করেন,বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও গ্রামবাসী। তোয়াকুল ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান খালেদ আহমদ সমাজের বিত্তবান ও প্রবাসী সংগঠনের প্রতি অসহায় কছির মিয়ার পরিবারের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানান।
অবিভক্ত পশ্চিম জাফলং ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান রোটারিয়ান সাংবাদিক এম এ রহিম উপজেলার প্রধান প্রধান সড়ক ও গ্রামীণ যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নসহ উপজেলায় দুটি ফায়ার সার্ভিস স্টেশন স্থাপনের দাবি তুলেন এবং যথাসাধ্য অসহায় কছির মিয়ার পরিবারের পাশে দাঁড়ানোর আশ্বাস প্রদান করেন। গ্রামবাসীরাও কছির মিয়ার ছোট ছোট সন্তানেরা যাতে ঘরে বসবাস করতে পারে তার জন্য গ্রামের বিত্তবানদের সহযোগিতায় এগিয়ে আসার আহ্বান করেন।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

সর্বাধিক পঠিত

অগ্নি*কাণ্ডে পুড়েযাওয়া পরিবারটি মাথা গোঁজার আশ্রয় চায়:

Update Time : 04:29:28 pm, Friday, 11 April 2025

মতিউর রহমান (দুলাল) গোয়াইনঘাট:
সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলার ফুলতৈলছগাম গ্রামে মর্মান্তিক ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় কছির মিয়ার বসত ঘর পুড়ে ছাই হয়েছে। গবাদি পশু ছাগল হাঁস মুরগি এমনকি ঘরের আসবাবপত্র সহ বাকি নেই কোন কিছু। বসত ঘরের লোকজন আত্মীয়ের বাড়িতে থাকায় দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা পায় তারা।
বর্তমানে অসহায় পরিবারের ৬ সদস্য পাশের ঘরে আশ্রয়ে আছেন।গত মঙ্গলবার রাত আনুমানিক সাড়ে নয়টায় ভয়াবহ এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনাটি ঘটে।তবে কোন জায়গা থেকে আগুনের সূত্রপাত এখনো রহস্য উদঘাটন করা যায়নি।
গ্রামের কারো সাথে তাদের কোন ধরনের শত্রুতা নেই বলে জানায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের লোকজন। এতে সর্বহারা পরিবারটি মাথা গুজার জন্য সমাজের বিত্তবানদের সহযোগিতা চায়।
শুক্রবার ১১ এপ্রিল বাদ জুম্মা পুড়ে যাওয়া কছির মিয়ার বসত ঘর সরেজমিন পরিদর্শন করেন,বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও গ্রামবাসী। তোয়াকুল ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান খালেদ আহমদ সমাজের বিত্তবান ও প্রবাসী সংগঠনের প্রতি অসহায় কছির মিয়ার পরিবারের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানান।
অবিভক্ত পশ্চিম জাফলং ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান রোটারিয়ান সাংবাদিক এম এ রহিম উপজেলার প্রধান প্রধান সড়ক ও গ্রামীণ যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নসহ উপজেলায় দুটি ফায়ার সার্ভিস স্টেশন স্থাপনের দাবি তুলেন এবং যথাসাধ্য অসহায় কছির মিয়ার পরিবারের পাশে দাঁড়ানোর আশ্বাস প্রদান করেন। গ্রামবাসীরাও কছির মিয়ার ছোট ছোট সন্তানেরা যাতে ঘরে বসবাস করতে পারে তার জন্য গ্রামের বিত্তবানদের সহযোগিতায় এগিয়ে আসার আহ্বান করেন।