১৯৯০ সালে মঞ্চ ও টেলিভিশনে বিপুল সম্ভাবনা নিয়ে হাজির হয়েছিলেন গুণী অভিনেতা সমু চৌধুরী। ওই সময় টেলিভিশন এবং মঞ্চে অনেক গুণী অভিনেতাদের মাঝে অভিনয়ের সূচনা হয় তার। ভালো উচ্চতা, গঠন, কণ্ঠ ও সুঅভিনয়ের মাধ্যমে সুদর্শন সমু চৌধুরী দর্শকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে সক্ষম হন। তার সাবলীল অভিনয় দর্শকমহলে প্রশংসিত হয়। আরিফুল হক চৌধুরীর ‘সমৃদ্ধ অসীম’ নাটকের মধ্যদিয়ে বিটিভিতে যাত্রা হয় সমু চৌধুরীর। এ নাটকের মাধ্যমে আলোচনায় আসেন তিনি। যার মাধ্যমে তার সামনের পথচলা সহজ হয়েছিল। এরপর একে একে অসংখ্য নাটকে অভিনয় করেছেন তিনি। পাশাপাশি বিজ্ঞাপনেও কাজ করেছেন নিয়মিত। সেই সময় নির্মাতারা তার শিডিউল পেতে হিমশিম খেতেন। ছোট পর্দার এই অভিনেতা রুপালি পর্দায় নিজেকে মেলে ধরেন বাণিজ্যিক ও ভিন্ন ধারার সিনেমাতেও। তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো- জিনের বাদশা, আদরের সন্তান, মায়ের অধিকার, সুন্দরী বধূ। তার অভিনয় প্রশংসিত হয় ‘নদীর নাম মধুমতি’ সিনেমাতেও। গত কয়েক বছর ধরে বাবা কিংবা ভাইয়ের চরিত্রে নিয়মিত অভিনয়ে মুগ্ধতা ছড়িয়েছেন সমু চৌধুরী। কিন্তু হঠাৎ করে সাম্প্রতিক সময়ে আধ্যাত্মিক জগতে পথচলা শুরু করেছেন এ অভিনেতা। সম্প্রতি মানবজমিনের পক্ষ থেকে যখন অভিনেতার সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হয়, তখন তিনি ছিলেন গাড়িতে। শাহজালাল দরগা, শাহপরাণ দরগায় যাওয়ার উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছিলেন। তার থেকে জানতে চাইলাম, অভিনয় ছেড়ে হঠাৎ কেন এই পথ বেছে নিলেন? সমু চৌধুরী বলেন, বেলা তো অনেক হলো। আর কতো! মৃত্যুর কাছ থেকে ধার করা এই জীবন অল্প সময়ের। একদিন তো অনন্তের পথে যাত্রা করতেই হবে। শরীরের খোরাক হলো খাদ্য, পানি। কিন্তু রুহের খাদ্য হচ্ছে আল্লাহ্র বন্দেগি। শরীরের খোরাক তো অনেক হয়েছে, এবার রুহের খোরাকের সন্ধানে বেরিয়েছি। রুহের সঠিক খোরাক পেতে হলে আল্লাহ্ ও তার নবী-রাসূলের সান্নিধ্য তালাশ করতে হবে। যেটা আমি প্রতিনিয়তই খুঁজে বেড়াচ্ছি। সমু বলেন, এই পথে চলতে গিয়ে আমাকে অনেকেই পাগল বলেছেন। আমি তাদের সবিনয়ে বলতে চাই, আমি তো আল্লাহ্র এবং তার অলিদের প্রেমে পড়েছি। আমরা যদি সৎকর্ম করি মৃত্যুর পর আমাদের আত্মা আসমানের উচ্চ মোকামে জায়গা পাবে। চেষ্টা করছি রুহকে পরিশুদ্ধ করার। বাকিটা মাওলা জানেন।
ব্রেকিং নিউজ :
‘চেষ্টা করছি রুহকে পরিশুদ্ধ করার’
-
Reporter Name - Update Time : 11:33:18 am, Sunday, 31 August 2025
- 70 Time View
Tag :
সর্বাধিক পঠিত










