Dhaka 9:04 pm, Wednesday, 18 February 2026

ঘরোয়া লিগেই ব্যয় বেড়েছে ১৪ কোটি

  • Reporter Name
  • Update Time : 11:54:01 am, Tuesday, 12 August 2025
  • 145 Time View

ঘরোয়া ক্রিকেটের প্রাণ বলা হয় জাতীয় ক্রিকেট লিগকে। দেশে প্রথম শ্রেণির ক্রিকেট হিসেবে চার দিনের ম্যাচ আয়োজনের পাশাপাশি এখন এনসিএল টি-টোয়েন্টি আয়োজন করা হয়।
আগামী ১৫ সেপ্টেম্বর শুরু হবে জাতীয় লিগের ২৭তম আসরের টি-টোয়েন্টি পর্ব, আর অক্টোবরের মাঝামাঝি মাঠে গড়াবে চার দিনের আসর।

এই টুর্নামেন্টে আটটি বিভাগীয় দলে ১২০ জন ক্রিকেটার অংশগ্রহণ করেন। এই টুর্নামেন্ট আয়োজনে বোর্ডের খরচ অনেক বেড়েছে।

২০১২ সালের জাতীয় লিগে বিসিবির খরচ হতো প্রায় ৪ কোটি টাকা। সর্বশেষ ২০২৪-২৫ মৌসুমে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৪ কোটির ওপরে-অর্থাৎ ১৩ বছরে ব্যয় বেড়েছে প্রায় ১০ কোটি টাকা।

শুধু ক্রিকেটারদের থাকা, খাওয়া ও দৈনিক ভাতা বাবদই গত মৌসুমে প্রতিদিন প্রায় ১১ লাখ টাকা খরচ হয়েছে। লিগ শুরুর আগে প্রতিটি দলকে প্রস্তুতি ফি হিসেবে সাড়ে ৯ লাখ টাকা দেওয়া হয়, পাশাপাশি ম্যাচের জার্সিও সরবরাহ করে বিসিবি।

খেলোয়াড়দের পারিশ্রমিক ও সুবিধাতেও বেড়েছে ব্যয়। এবার দৈনিক ভাতা ২,৫০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৩,০০০ টাকা করা হয়েছে। টি-টোয়েন্টিতে ম্যাচ ফি ২৫ হাজার থেকে বেড়ে ৪০ হাজার টাকা, আর চার দিনের ম্যাচে গত মৌসুমেই ম্যাচ ফি ৬০ হাজার থেকে ৭৫ হাজার টাকা হয়েছে।

প্রথম শ্রেণির ক্রিকেট খেলা ১০০ জন খেলোয়াড় মাসিক বেতন পান-‘এ’ গ্রেডে ২৫ হাজার থেকে বেড়ে ৩০ হাজার, ‘বি’ গ্রেডে ৩০ হাজার থেকে ৩৫ হাজার এবং ‘সি’ গ্রেডে ৩৫ হাজার থেকে ৪০ হাজার টাকা। তবে এই বেতন জাতীয় লিগের বাজেটের বাইরে।

পুরস্কারের ক্ষেত্রেও খরচ কম নয়। চার দিনের ম্যাচের চ্যাম্পিয়ন দল ৩০ লাখ ও রানার্সআপ দল ১৫ লাখ টাকা পায়। টি-টোয়েন্টির চ্যাম্পিয়ন ১৫ লাখ, রানার্সআপ সাড়ে ৭ লাখ টাকা পায়। চার দিনের ম্যাচে ম্যান অব দ্য ম্যাচকে ৩০ হাজার এবং টি-টোয়েন্টিতে ২০ হাজার টাকা করে দেওয়া হয়।

চার দিনের ম্যাচে জয়ের জন্য ৮০ হাজার টাকা উইনিং বোনাস থাকে, যদিও টি-টোয়েন্টিতে এই বোনাস নেই। টুর্নামেন্টের সেরা খেলোয়াড়, সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক ও সর্বোচ্চ উইকেট শিকারি প্রত্যেকে ১ লাখ টাকা করে পুরস্কার পান।

কোটি কোটি টাকা খরচ করেও পৃষ্ঠপোষকদের কাছ থেকে বিসিবি খুব বেশি অর্থ পায় না। বোর্ডের সূত্র জানায়, স্পনসর থাকলেও মোট খরচের মাত্র ১০ থেকে ১৫ শতাংশ উঠে আসে পৃষ্ঠপোষকদের কাছ থেকে, বাকি অংশ বহন করে বিসিবি।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

সর্বাধিক পঠিত

ঘরোয়া লিগেই ব্যয় বেড়েছে ১৪ কোটি

Update Time : 11:54:01 am, Tuesday, 12 August 2025

ঘরোয়া ক্রিকেটের প্রাণ বলা হয় জাতীয় ক্রিকেট লিগকে। দেশে প্রথম শ্রেণির ক্রিকেট হিসেবে চার দিনের ম্যাচ আয়োজনের পাশাপাশি এখন এনসিএল টি-টোয়েন্টি আয়োজন করা হয়।
আগামী ১৫ সেপ্টেম্বর শুরু হবে জাতীয় লিগের ২৭তম আসরের টি-টোয়েন্টি পর্ব, আর অক্টোবরের মাঝামাঝি মাঠে গড়াবে চার দিনের আসর।

এই টুর্নামেন্টে আটটি বিভাগীয় দলে ১২০ জন ক্রিকেটার অংশগ্রহণ করেন। এই টুর্নামেন্ট আয়োজনে বোর্ডের খরচ অনেক বেড়েছে।

২০১২ সালের জাতীয় লিগে বিসিবির খরচ হতো প্রায় ৪ কোটি টাকা। সর্বশেষ ২০২৪-২৫ মৌসুমে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৪ কোটির ওপরে-অর্থাৎ ১৩ বছরে ব্যয় বেড়েছে প্রায় ১০ কোটি টাকা।

শুধু ক্রিকেটারদের থাকা, খাওয়া ও দৈনিক ভাতা বাবদই গত মৌসুমে প্রতিদিন প্রায় ১১ লাখ টাকা খরচ হয়েছে। লিগ শুরুর আগে প্রতিটি দলকে প্রস্তুতি ফি হিসেবে সাড়ে ৯ লাখ টাকা দেওয়া হয়, পাশাপাশি ম্যাচের জার্সিও সরবরাহ করে বিসিবি।

খেলোয়াড়দের পারিশ্রমিক ও সুবিধাতেও বেড়েছে ব্যয়। এবার দৈনিক ভাতা ২,৫০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৩,০০০ টাকা করা হয়েছে। টি-টোয়েন্টিতে ম্যাচ ফি ২৫ হাজার থেকে বেড়ে ৪০ হাজার টাকা, আর চার দিনের ম্যাচে গত মৌসুমেই ম্যাচ ফি ৬০ হাজার থেকে ৭৫ হাজার টাকা হয়েছে।

প্রথম শ্রেণির ক্রিকেট খেলা ১০০ জন খেলোয়াড় মাসিক বেতন পান-‘এ’ গ্রেডে ২৫ হাজার থেকে বেড়ে ৩০ হাজার, ‘বি’ গ্রেডে ৩০ হাজার থেকে ৩৫ হাজার এবং ‘সি’ গ্রেডে ৩৫ হাজার থেকে ৪০ হাজার টাকা। তবে এই বেতন জাতীয় লিগের বাজেটের বাইরে।

পুরস্কারের ক্ষেত্রেও খরচ কম নয়। চার দিনের ম্যাচের চ্যাম্পিয়ন দল ৩০ লাখ ও রানার্সআপ দল ১৫ লাখ টাকা পায়। টি-টোয়েন্টির চ্যাম্পিয়ন ১৫ লাখ, রানার্সআপ সাড়ে ৭ লাখ টাকা পায়। চার দিনের ম্যাচে ম্যান অব দ্য ম্যাচকে ৩০ হাজার এবং টি-টোয়েন্টিতে ২০ হাজার টাকা করে দেওয়া হয়।

চার দিনের ম্যাচে জয়ের জন্য ৮০ হাজার টাকা উইনিং বোনাস থাকে, যদিও টি-টোয়েন্টিতে এই বোনাস নেই। টুর্নামেন্টের সেরা খেলোয়াড়, সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক ও সর্বোচ্চ উইকেট শিকারি প্রত্যেকে ১ লাখ টাকা করে পুরস্কার পান।

কোটি কোটি টাকা খরচ করেও পৃষ্ঠপোষকদের কাছ থেকে বিসিবি খুব বেশি অর্থ পায় না। বোর্ডের সূত্র জানায়, স্পনসর থাকলেও মোট খরচের মাত্র ১০ থেকে ১৫ শতাংশ উঠে আসে পৃষ্ঠপোষকদের কাছ থেকে, বাকি অংশ বহন করে বিসিবি।