এশিয়া কাপে এখন পর্যন্ত বাংলাদেশের সাফল্য বলতে ৩ বার ফাইনাল খেলা। কোনোবারই শিরোপা ছুঁয়ে দেখা হয়নি টাইগারদের। আগামী মাসে শুরু হতে যাচ্ছে এশিয়া কাপের আরও একটি আসর। জাকের আলী বললেন, এবার দলের সবাই বিশ্বাস করে বাংলাদেশ চ্যাম্পিয়ন হতে পারবে।
এশিয়া কাপ ও নেদারল্যান্ডস সিরিজের জন্য এখন প্রস্তুতিতে ব্যস্ত বাংলাদেশ ক্রিকেট দল। ঢাকায় ফিটনেস ও স্কিল ক্যাম্প শেষ হয়েছে। এরপর সিলেটে নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে সিরিজ শুরুর আগে আরেক দফা ক্যাম্প করবে টাইগাররা। সিলেট যাওয়ার আগে এশিয়া কাপে নিজেদের লক্ষ্যের কথা শোনান জাকের আলী।
গতকাল সংবাদ সম্মেলনে জাকের বলেন, ‘ইনশাআল্লাহ আমরা এবার এশিয়া কাপে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার লক্ষ্যেই যাচ্ছি। এটা আমি ব্যক্তিগতভাবে বলতে পারি যে, আমি চ্যাম্পিয়ন হওয়ার জন্য যাচ্ছি। আর এটা ড্রেসিং রুমের সবাই বিশ্বাস করে। এখন আমাদের দলের যেমন পরিবেশ আছে, সবাই যেভাবে চেষ্টা করছে, আমরা বিশ্বাস করি, এবার চ্যাম্পিয়ন হওয়ার জন্যই যাব।’
এশিয়া কাপে নিজস্ব কোনো লক্ষ্য আছে কিনা প্রশ্নে এই ডানহাতি ব্যাটার বলেন, ‘আমি নরমালি এত গোল সেট করি না আসলে। কারণ টি-টোয়েন্টিতে আমার ব্যাটিংটা সার্টেন চেঞ্জ হয়ে যায়। কখনো আগে যেতে হয়… তো আসলে ঐরকম গোল সেট করাটা খুব ডিফিকাল্ট হয়ে যায়। ঐরকমই গোল থাকে, যে ম্যাচে যে পজিশনে যাব, যদি পাঁচে ব্যাটিং করি একটু বড় রান করার, আর যদি সাতে কিংবা ছয়ে ব্যাটিং করি তখন কুইক কম বলে যত বেশি রান করা… এরকমই, এর চেয়ে বেশি গোল করা আমার জন্য পসিবল হয় না আসলে।’
ফিটনেস ক্যাম্প কেমন হলো প্রশ্নে জাকের বলেন, ‘ফিটনেস তো আমাদের কন্টিনিউই হচ্ছে। নাথান কেলি আসার পর থেকে তো আমাদের ঐ রকম স্ট্যান্ডার্ডই সেট করে দেওয়া হয়েছে।
এবারের ক্যাম্পে জুলিয়ান উডের অধীনে পাওয়ার হিটিং অনুশীলন করছেন জাকের-শামীমরা। উডের সঙ্গে কাজ করার অভিজ্ঞতা নিয়ে জাকের বলেন, ‘চেঞ্জেসগুলো তো এত সহজে ম্যাচ ছাড়া আপনারা মানে কি করতে পারবেন, মেজার করতে পারবেন না। যেহেতু দুই-তিন দিনই হলো, ম্যাক্সিমাম স্কিল নিয়ে কাজ হয়েছে। তো এইগুলা, এই স্কিলগুলাই আবার সামনে হয়তো সিলেটে আমাদের নেট হবে, ওইখানে আরও ডিফারেন্ট কিছু হবে। তো এত তাড়াতাড়ি কমেন্ট করাটা ঠিক হবে না যে কি ইমপ্রুভ হয়ে গেল, কি না হলো। সুইং প্র্যাকটিসগুলো কিংবা ডিফারেন্ট ড্রিলগুলো অবশ্যই কাজে আসবে।’
উড সঙ্গে নিয়ে এসেছেন পাওয়ার হিটিং অনুশীলনের জন্য বিশেষ ধরনের ‘প্রো ভেলোসিটি ব্যাট’। এই ব্যাট ব্যবহার নিয়ে জাকের বলেন, ‘এটা ম্যাটার করে ভাই, দেখেন, একেকজনের সুইং একেক রকম। কারও সুইং বেসবল টাইপ, কারও সুইং গলফ টাইপ। তো এটা ডিপেন্ড করে কে কোনটা নেবে। হ্যাঁ অবশ্যই, ভালো একটা ফিলিংস আসে (প্রো ভেলোসিটি ব্যাটে)। যখন যে কয়টা সাউন্ড বের করতে বলে, ওইটা বের করা যায়, তখন ভালো লাগে।
কিন্তু অনেক ফোর্স লাগে এটা বের করতে। সাউন্ডটা বের করতে ফোর্স লাগে, আরও এফোর্ট দিতে হয়। তো এই জিনিসগুলো কন্টিনিউয়াসলি কাজ করলে অবশ্যই কাজে দেবে।’
এই ক্যাম্পে মনোবিদ আসার কথা। এই ধরনের ক্যাম্পে মনোবিদ দরকার মনে হয় কিনা প্রশ্নে জাকের বলেন, ‘এটা ডিপেন্ড করে বিসিবি’র ওপর। বাট আমাদেরকে যাই দেওয়া হবে, আমরা এগুলা অ্যাডাপ্ট করার চেষ্টা করব। মনোবিদ আসলে অবশ্যই আমরা উনার যে কাজ, আগেও তো ছিল আমাদের সাথে।
তো সে আমাদেরকে নিয়ে কিছু কাজ করেছেন। সো এগুলা ভালো, ভালো ইমপ্যাক্ট পড়ে।’
Reporter Name 









